পাসপোর্টে পেশা কি দিব? প্রশ্নের উত্তর জানুন

পাসপোর্টে পেশা কি দিব এই বিষয়টা নিয়ে অনেক নতুন পাসপোর্ট আবেদনকারী বেশ চিন্তায় পড়ে যান। যেহেতু পাসপোর্ট আবেদন করতে হলে অবশ্যই আবেদনকারীকে একটি পেশা উল্লেখ করতে হবে তাই সাধারণ একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে কোন পেশা দেওয়া উত্তম এটি জানা বেশ মুশকিল।

পাসপোর্ট আবেদন করতে হলে অবশ্যই পেশা উল্লেখ করতে হবে। এবং অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় পাসপোর্টে পেশা দেয়ার কারণে অতিরিক্ত ডকুমেন্ট আবেদন এর সাথে লাগতে পারে। কোন ক্ষেত্রে আপনার কোন পেশায় কি কি ডকুমেন্ট লাগবে চলুন জানা যাক।

অনেকে বেকার রয়েছে , তারা যখন পাসপোর্ট আবেদন করবে তারা নিজেও জানে না তারা কি পেশা দিবে পাসপোর্টে। আবার অনেকেই স্টুডেন্ট রয়েছে। এক্ষেত্রে স্টুডেন্ট হয়েও ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট আবেদন করতে পাসপোর্টে কি পেশা দিবে সেটা নিয়ে বেশ চিন্তা করেন।

আবার অনেকে তাদের বাচ্চাদের পাসপোর্ট আবেদন করতে যান। এ ক্ষেত্রে বাচ্চাদের পাসপোর্ট আবেদনে বাচ্চাদের পেশা কি দিবেন এটা নিয়েও বেশ কৌতূহল। তবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সমস্ত তথ্য গুলো আপনার জেনে নেওয়া।

পাসপোর্ট করার সময় কী পেশা দেওয়া উত্তম?

পাসপোর্টে আবেদনে পেশা দেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । এক্ষেত্রে আপনি যে পেজের সাথে সম্পৃক্ত। সেই পেশা দিলেই ভালো হবে। কিছু কিছু পেশার ক্ষেত্রে বিপরীতে প্রমাণস্বরূপ কিছু ডকুমেন্ট দাখিল করতে হয়। অর্থাৎ আপনি আবেদন করার সময় এমন একটি পেশা উল্লেখ করলেন কিন্তু আপনি আদৌ সেই পেশাদারী নন। তখন আপনি কিন্তু ঝামেলায় পড়ে যাবেন। না বুঝে পেশা দেওয়ার কারণে আপনাকে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঝামেলা পোহাতে হতে পারে।

আপনি যদি শিক্ষার্থী এবং বেকার হয়ে থাকেন তাহলে পেশা হিসেবে Bachelor/ Unemployed অথবা Student দিতে পারেন। এক্ষেত্রে স্টুডেন্ট দিলে আপনার কাছে যদি পূর্বের কোন সার্টিফিকেট থাকে তাহলে সেটির কপি পাসপোর্ট আবেদন করার সময় জমা দিতে হবে।

অন্যদিকে আপনি যদি কোন রকম ভাবেই পড়াশোনার সাথে সম্পৃক্ত না হয়ে থাকেন তাহলে শুধু (Bachelor) , (Unemployed/ বেকার) অথবা (Labour/ শ্রমিক) দিতে পারেন।

বয়স্ক কিংবা রিটায়ার্ড ব্যক্তিদের পাসপোর্ট এর জন্য Unknown অথবা Unemployed দিতে পারেন।

চাকুরিজীবীদের পেশা হিসেবে অবশ্যই চাকরির ধরন অনুযায়ী পেশা দিতে হবে। প্রাইভেট কোম্পানি হলে Private Service দিতে পারেন। সরকারি চাকরিজীবী হলে কাজের ধরন উল্লেখ করতে হবে। তবে জেনে রাখা ভালো সরকারি/ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অবশ্যই তাদের GO /NOC প্রত্যয়নপত্র দরকার হবে।

অথবা আপনি আদৌ যদি কোন পেশার সাথে সম্পৃক্ত থাকেন তাহলে উক্ত পেশা দিতে পারেন। পাসপোর্ট এর পেশা দেওয়া না দেওয়ায় ভিসার ক্ষেত্রে কোন জটিলতা সৃষ্টি হয় না। তবে আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট পেশার সাথে সম্পৃক্ত থাকেন তাহলে সেই পেশাটি দেওয়াই উত্তম, এক্ষেত্রে আপনার ভিসা সংক্রান্ত কাজ সহজ হয়ে যাবে।

তবে আপনি যেই পেশার সাথে সম্পৃক্ত নন সেই পেশা কখনোই দিতে যাবেন না, এক্ষেত্রে কিন্তু আপনি বিপদে পড়বেন। পুলিশ যখন আপনাকে প্রমাণ স্বরূপ আপনার পেশার বিভিন্ন ডকুমেন্ট চাইবে তখন আপনি দিতে পারবেন না।

বাচ্চাদের পাসপোর্ট এর পেশা কি দিব?

বাচ্চাদের পাসপোর্ট আবেদনে পেশা কোন প্রভাব ফেলে না। আবেদনের সময় পেশা হিসেবে OTHERS নামক একটি অপশন দেখতে পাবেন। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট আবেদনে এই পেশাটি দিতে হবে। এক্ষেত্রে পাসপোর্ট আবেদনে কোন ঝামেলা হবে না।

পাসপোর্ট আবেদনের পিতা-মাতার পেশা কি দেওয়া উচিত?

আপনার পিতা-মাতা জীবিত অবস্থা থাকলে যদি তারা কোন পেশার সাথে সম্পৃক্ত থাকে তাহলে সেটি দিতে পারেন। এক্ষেত্রে কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না। মায়েদের ক্ষেত্রে Housewife এবং বাবার ক্ষেত্রে বাবার বর্তমান বা অতীত পেশা উল্লেখ করে দিতে পারেন। পিতা মাতা যদি মৃত হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে পেশা হিসেবে Others দিতে হবে।

Similar Posts

2 Comments

  1. ভাই, আমি ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে চাচ্ছি।
    আমি ২০২১ সালে ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং শেষ করেছি। বর্তমানে জব কোচিং-এ ভর্তি হয়ে চাকুরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, এবং কম্পিউটার কোর্স করছি।

    এখন পাসপোটের আবেদনে আমার পেশাটা কি দিবো, ছাত্র নাকি অন্যান্য? পরামর্শ
    চাই।

    1. আবেদনকারী কখনো Others পেশা দিতে পারবে না, এটা দিলে আবেদন বাতিল করা হয়৷ আপনার জন্য Student শ্রেয়

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।